Tinpahar
No Comments 16 Views

(নির্বাচনী প্রচারে ) ভারত দর্শন

একটু না বেশ দেরী হয়ে গেছে লেখাটা লিখতে। বিশেষ করে বিষয়টা যখন লোকসভা নির্বাচন পূর্বে রাজনৈতিক দল গুলির বিজ্ঞাপন। যাইহোক ,এবার বিষয়ে আসি। ….আজকের দিনে যেকোনো জিনিষ এর  বিষয়ে মানুষকে জানাবার জন্য ব্যরহার করাহয় বিজ্ঞাপন। চাল, ডাল ,সাবান,বিস্কুট, সিনেমা ,পূজোর গানের অ্যালবাম হোক বা একশ দিনের কাজ সব কিছুর বিজ্ঞাপন বর্তমান। বিজ্ঞাপনের মাধমে সব তথ্যপৌছে যাচ্ছে আমার আপনার কাছে। বলুন টিভি নেই এমন একটা বাড়ি আপনার আশেপাশে। আজকের দিনে বৈদুতিন মাধ্যমের দ্বারা পৌছেযাওয়া যায় আমার- আপনার বা সে- তুমি সবার কাছে। তাই লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারেরএকটা স্বাভাবিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল টিভি বিজ্ঞাপন। তাই অনেক টাকা ,মগজ ব্যায় করে রাজনৈতিক দল গুলি তৈরী করেছিল নির্বাচনীবিজ্ঞাপন। আমাদের দেশের আঞ্চলিক দল গুলি বা অপেক্ষাকৃত ছোট দল গুলির কথা  বাদ দিলে যে দুটি  দল বাকি থাকেতাদের আপামোর ভারতবাসী কংগ্রেস ও বিজেপি নামে চেনে। ভারতের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল। প্রতিটি সাধারণ  নির্বাচনের আগে এদেরনির্বাচনী খরচ নিয়ে প্রচুর লেখা লিখি হয় ,কিন্তু আসল অঙ্কটা চিরকালই ‘প্রায় যুক্ত’ থেকে যায়। ২০১৪ সাধারণ নির্বাচনের সময় দুটি  দলই নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে প্রচুর খরচ করেছে ,দেশের বিজ্ঞাপন জগতের উর্বর সব মাথার এদের প্রচারে বিজ্ঞাপন তৈরী করেছে। এইসব খবরওআমরা জেনেছি টিভি থেকে।  দুঃখিত আমি এখনো মূল বিষয়ে আসতে পারিনি, বিষয় হলো এই বিজ্ঞাপন গুলির প্রধান উদ্দেশ্য সমর্থন আদায়হলেও ,এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভারত দেশের যে ছবি প্রচারিত হচ্ছে সেটা কি ?
     দুটি রাজনৈতিক  দলের পরস্পর বিরোধী বিজ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে সাধারণ জনতা দেশের দুটি ভিন্ন ছবি দেখছে। একটি উদাহরন :একজনপাঞ্জাবি কৃষক বলছেন বিগত  ১০বছর ধরে যে সরকার কৃষকদের সাথে কোনো রকম অন্যায় হতে দেয়নি  আমার ভোট তাকেই ,আমার ভোট কংগ্রেস কে।
আর বিজেপির বিজ্ঞপনে দুই ট্যাক্সি চালকের আলোচনার বিষয়, এই বছর গ্রামে ভালো ফসল না হওয়ার কারণে গ্রাম থেকে কিছু টাকা চেয়ে পাঠিয়েছে ,কিন্তু শহরেও তাদের দিন খুব একটা ভালো কাটছেনা। তাই টাকা পাঠানো সম্ভব নই , তবে তাদের মনে বড় আশা আসন্ন লোকসভা ভোটে তারা মোদীজীকে জেতাবে।….. সামনে খুশির দিন আসছে। একদম বিপরীত দুটি ভারত,পৃথক পৃথক  রাজনৈতিক দলের প্রচারিত বিজ্ঞাপনে ভারতের ভিন্ন ভিন্ন দুটি ছবি দেখলাম আমরা।
       এই বিজ্ঞাপন গুলি তৈরী করার সময় খুব সচেতন ভাবেই লক্ষ রাখা হয়েছে নিজ নিজ রাজনৈতিক উদ্দ্যশের দিকে। তাই কংগ্রেস যেখানে ১০বছরের সাফল্য উজ্জাপনে ব্যস্ত  সেখানে কংগ্রেস এর ছোট বড় সব ব্যর্থতা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছে  বিজেপি। স্বাবাভিক।
একটা রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে বিরোধীদের সমালোচনা ,নিজের সাফল্যের কথা আর ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা থাকবে সেটাই  স্বাবাভিক, কিন্তু সেই উদ্দেশে তৈরী বিজ্ঞাপন যদি অন্য দিকে নজর করে তাহলে তার দায়িত্বও তো বিজ্ঞাপন নির্মাতার।  ভেবে দেখুন এই বিজ্ঞাপন গুলি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সার্থে প্রচারিত , এরাই দেশ চালায়।দেশের হাল আমার আপনার থেকে এদেরই বেশি জানার কথা। সাধারণত একটি বিজ্ঞাপনের জন্য তার ‘কোম্পানি’ দায়ী থাকে ,এই ক্ষেত্রে  ‘কোম্পানি ‘রাজনৈতিক দল গুলি। ১০ বছর সরকারে থাকার পর কংগ্রেসের বিজ্ঞাপনে ভারত এক এমন আদর্শ দেশ যেখানে প্রতি ঘরে বিদ্যুত ,জল ও অনান্য সকল সাধারণ সুবিধা রয়েছে ,বেকার সমস্যা,কৃষি সমস্যা এবং অনন্য সব সামাজিক সমস্যা অতীত। ভারত এখন প্রগতির পথে, তাইতো তাদের বিজ্ঞাপনে এক মহিলা বলছেন আমার ভোট সেই সরকারকে যে আমাকে আত্মস্মানের সাথে বাচার অধিকার দিয়েছে। কংগ্রেসের প্রতিটি বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে এমনই সব সন্তুষ্ট ,তৃপ্ত সুখী মুখ।
কিন্তু বিজেপির বিজ্ঞাপনের ভারতবাসী খুশির দিনের অপেক্ষা করছে। তারা আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদীজীকে জেতাবে তবেই নাকি আসবে বহু প্রতিক্ষিত সেই ‘খুশির দিন’…..
বিজেপির বিজ্ঞাপন গুলিতে দেখবেন দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষ  বড় কষ্টে আছে।  গ্রামের দুই মহিলা আক্ষেপ করছেন ,তাদের পানীয় জল আনতে আজ অনেক দূর যেতে হয়  ; এমনই কারো আক্ষেপ গ্রামে স্কুল নেই কেউ বা শোনাচ্ছেন গ্রামের বিদ্যুতের বেহাল দশার কথা ,শহরের লোকের কন্ঠে করাপসন এর কথা। তবে তারা প্রতেকেই আশাবাদী ,কারণ খুব শীঘ্রই আসছে খুশির দিন।  বিজেপির হাত ধরে।
    আমরা যারা সোফায় বসে এই বিজ্ঞাপন গুলি দেখছি তারাও জানি বা না জানলেও কিছু তথ্য সগ্রহ করে জেনে নিতে পারি ভারতের প্রকৃত অবস্থা ,যাচাই করে নিতেই পারি বিজ্ঞাপন গুলির সত্যতা। কিন্তু সেসব পরের কথা ,আমি বলছি দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারে যে ভিন্ন ভিন্ন ভারতের ছবি তুলে ধরছে তার দায়িত্ব কার। এর ফলে ভারতীয় এবং বিশ্বের কাছে যে বার্তা যাচ্ছে তা কি খুব সুখকর ? এই বিজ্ঞাপন গুলি কে যদি তথ্য হিসাবে গণ্য করা হয় তাহলে কোন ভারতকে আসল ভারত বলে জানব আমরা ?
 অবশ্য নির্বাচনে জয় যেখানে উদ্দেশ সেখানে এইসব বড়ই তুচ্ছ ব্যাপার  ,কে কি ভাবলো ,কে কোন ভারতে বাস করে তা নিয়ে মনে হয়না রাজনৈতিক দল গুলি খুব একটা চিন্তিত । বিজ্ঞাপন তো….শর্তাবলী প্রযোজ্য।
  রামানুজ বৈদ্য।একটু না বেশ দেরী হয়ে গেছে লেখাটা লিখতে। বিশেষ করে বিষয়টা যখন লোকসভা নির্বাচন পূর্বে রাজনৈতিক দল গুলির বিজ্ঞাপন। যাইহোক ,এবার বিষয়ে আসি। ….আজকের দিনে যেকোনো জিনিষ এর  বিষয়ে মানুষকে জানাবার জন্য ব্যরহার করাহয় বিজ্ঞাপন। চাল, ডাল ,সাবান,বিস্কুট, সিনেমা ,পূজোর গানের অ্যালবাম হোক বা একশ দিনের কাজ সব কিছুর বিজ্ঞাপন বর্তমান। বিজ্ঞাপনের মাধমে সব তথ্যপৌছে যাচ্ছে আমার আপনার কাছে। বলুন টিভি নেই এমন একটা বাড়ি আপনার আশেপাশে। আজকের দিনে বৈদুতিন মাধ্যমের দ্বারা পৌছেযাওয়া যায় আমার- আপনার বা সে- তুমি সবার কাছে। তাই লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারেরএকটা স্বাভাবিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল টিভি বিজ্ঞাপন। তাই অনেক টাকা ,মগজ ব্যায় করে রাজনৈতিক দল গুলি তৈরী করেছিল নির্বাচনীবিজ্ঞাপন। আমাদের দেশের আঞ্চলিক দল গুলি বা অপেক্ষাকৃত ছোট দল গুলির কথা  বাদ দিলে যে দুটি  দল বাকি থাকেতাদের আপামোর ভারতবাসী কংগ্রেস ও বিজেপি নামে চেনে। ভারতের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল। প্রতিটি সাধারণ  নির্বাচনের আগে এদেরনির্বাচনী খরচ নিয়ে প্রচুর লেখা লিখি হয় ,কিন্তু আসল অঙ্কটা চিরকালই ‘প্রায় যুক্ত’ থেকে যায়। ২০১৪ সাধারণ নির্বাচনের সময় দুটি  দলই নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে প্রচুর খরচ করেছে ,দেশের বিজ্ঞাপন জগতের উর্বর সব মাথার এদের প্রচারে বিজ্ঞাপন তৈরী করেছে। এইসব খবরওআমরা জেনেছি টিভি থেকে।  দুঃখিত আমি এখনো মূল বিষয়ে আসতে পারিনি, বিষয় হলো এই বিজ্ঞাপন গুলির প্রধান উদ্দেশ্য সমর্থন আদায়হলেও ,এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভারত দেশের যে ছবি প্রচারিত হচ্ছে সেটা কি ?
     দুটি রাজনৈতিক  দলের পরস্পর বিরোধী বিজ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে সাধারণ জনতা দেশের দুটি ভিন্ন ছবি দেখছে। একটি উদাহরন :একজনপাঞ্জাবি কৃষক বলছেন বিগত  ১০বছর ধরে যে সরকার কৃষকদের সাথে কোনো রকম অন্যায় হতে দেয়নি  আমার ভোট তাকেই ,আমার ভোট কংগ্রেস কে।
আর বিজেপির বিজ্ঞপনে দুই ট্যাক্সি চালকের আলোচনার বিষয়, এই বছর গ্রামে ভালো ফসল না হওয়ার কারণে গ্রাম থেকে কিছু টাকা চেয়ে পাঠিয়েছে ,কিন্তু শহরেও তাদের দিন খুব একটা ভালো কাটছেনা। তাই টাকা পাঠানো সম্ভব নই , তবে তাদের মনে বড় আশা আসন্ন লোকসভা ভোটে তারা মোদীজীকে জেতাবে।….. সামনে খুশির দিন আসছে। একদম বিপরীত দুটি ভারত,পৃথক পৃথক  রাজনৈতিক দলের প্রচারিত বিজ্ঞাপনে ভারতের ভিন্ন ভিন্ন দুটি ছবি দেখলাম আমরা।
       এই বিজ্ঞাপন গুলি তৈরী করার সময় খুব সচেতন ভাবেই লক্ষ রাখা হয়েছে নিজ নিজ রাজনৈতিক উদ্দ্যশের দিকে। তাই কংগ্রেস যেখানে ১০বছরের সাফল্য উজ্জাপনে ব্যস্ত  সেখানে কংগ্রেস এর ছোট বড় সব ব্যর্থতা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছে  বিজেপি। স্বাবাভিক।
একটা রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে বিরোধীদের সমালোচনা ,নিজের সাফল্যের কথা আর ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা থাকবে সেটাই  স্বাবাভিক, কিন্তু সেই উদ্দেশে তৈরী বিজ্ঞাপন যদি অন্য দিকে নজর করে তাহলে তার দায়িত্বও তো বিজ্ঞাপন নির্মাতার।  ভেবে দেখুন এই বিজ্ঞাপন গুলি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সার্থে প্রচারিত , এরাই দেশ চালায়।দেশের হাল আমার আপনার থেকে এদেরই বেশি জানার কথা। সাধারণত একটি বিজ্ঞাপনের জন্য তার ‘কোম্পানি’ দায়ী থাকে ,এই ক্ষেত্রে  ‘কোম্পানি ‘রাজনৈতিক দল গুলি। ১০ বছর সরকারে থাকার পর কংগ্রেসের বিজ্ঞাপনে ভারত এক এমন আদর্শ দেশ যেখানে প্রতি ঘরে বিদ্যুত ,জল ও অনান্য সকল সাধারণ সুবিধা রয়েছে ,বেকার সমস্যা,কৃষি সমস্যা এবং অনন্য সব সামাজিক সমস্যা অতীত। ভারত এখন প্রগতির পথে, তাইতো তাদের বিজ্ঞাপনে এক মহিলা বলছেন আমার ভোট সেই সরকারকে যে আমাকে আত্মস্মানের সাথে বাচার অধিকার দিয়েছে। কংগ্রেসের প্রতিটি বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে এমনই সব সন্তুষ্ট ,তৃপ্ত সুখী মুখ।
কিন্তু বিজেপির বিজ্ঞাপনের ভারতবাসী খুশির দিনের অপেক্ষা করছে। তারা আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদীজীকে জেতাবে তবেই নাকি আসবে বহু প্রতিক্ষিত সেই ‘খুশির দিন’…..
বিজেপির বিজ্ঞাপন গুলিতে দেখবেন দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষ  বড় কষ্টে আছে।  গ্রামের দুই মহিলা আক্ষেপ করছেন ,তাদের পানীয় জল আনতে আজ অনেক দূর যেতে হয়  ; এমনই কারো আক্ষেপ গ্রামে স্কুল নেই কেউ বা শোনাচ্ছেন গ্রামের বিদ্যুতের বেহাল দশার কথা ,শহরের লোকের কন্ঠে করাপসন এর কথা। তবে তারা প্রতেকেই আশাবাদী ,কারণ খুব শীঘ্রই আসছে খুশির দিন।  বিজেপির হাত ধরে।
    আমরা যারা সোফায় বসে এই বিজ্ঞাপন গুলি দেখছি তারাও জানি বা না জানলেও কিছু তথ্য সগ্রহ করে জেনে নিতে পারি ভারতের প্রকৃত অবস্থা ,যাচাই করে নিতেই পারি বিজ্ঞাপন গুলির সত্যতা। কিন্তু সেসব পরের কথা ,আমি বলছি দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারে যে ভিন্ন ভিন্ন ভারতের ছবি তুলে ধরছে তার দায়িত্ব কার। এর ফলে ভারতীয় এবং বিশ্বের কাছে যে বার্তা যাচ্ছে তা কি খুব সুখকর ? এই বিজ্ঞাপন গুলি কে যদি তথ্য হিসাবে গণ্য করা হয় তাহলে কোন ভারতকে আসল ভারত বলে জানব আমরা ?
 অবশ্য নির্বাচনে জয় যেখানে উদ্দেশ সেখানে এইসব বড়ই তুচ্ছ ব্যাপার  ,কে কি ভাবলো ,কে কোন ভারতে বাস করে তা নিয়ে মনে হয়না রাজনৈতিক দল গুলি খুব একটা চিন্তিত । বিজ্ঞাপন তো….শর্তাবলী প্রযোজ্য। 
About the author:
Has 214 Articles

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

RELATED ARTICLES

Back to Top