Tinpahar
No Comments 13 Views

রাজ্যের খুচরো সংকটের সমাধান দিল RBI

‘সকাল সকাল  খুচরো কোথায় পাবো দাদা ‘,’খুচরো আছে তো ‘- বাস ,অটো ওয়ালাদের কাছ থেকে এইসব কথা শুনতে এখন অভ্যস্ত শহরবাসি। রাজ্যের খুচরো সংকট এখন এক চরম আকার নিয়েছে।  খুচরো র  পরিমান এতোই কমে গেছে যে টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে ভীষণ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে প্রত্যেককে । খুচরোর প্ররিমান কমে যাওয়ায় সব থেকে সমস্যা হয়েছে গণ পরিবহণ ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে।      খবর এর চ্যানেলর breaking news হোক বা খবরের কাগজের টুকরো খবর ,সবটা জুড়ে আজ খুচরো জনিত কারণে ঘটা অপ্রীতিকর ঘটনাগুলি। এরমধ্যে কিছু ঘটনা এতটাই বড় আকার নিয়েছে যে মাননীয় মন্ত্রীমশায়  কে বলতে হয়েছে  অটোর লাইসেন্স বাতিল করার কথা। কিন্তু অটোচালক এর লাইসেন্স বাতিল এর দ্বারা খুচরো সংকট এর সমাধান সম্ভব নয় ,এরজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ভিন্ন।         এই সমস্যার কারণ ও সমাধান খুজতে সচেষ্ঠ  হয়েছেন  বহু  অর্থনীতিবিদ। কিন্তু বাস্থব পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি এখনো। তাই এইবার ময়দানে নেমেছেন RBI কর্তারা। সাম্প্রতিককালে RBI এর পক্ষথেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের এই চরম খুচরো সমস্যার কারণ ও সমাধান। এই বিষয়ে একটি সাড়ে ২২ পাতার রিপোর্ট  পেশ করা হয়েছে RBI এর পক্ষ থেকে। এই রিপোর্ট এ  খুচরো সংকটের জন্য দায়ী করা হয়েছে বাঙালির লক্ষীর ভাড়কে। বলাহয়েছে বহুযুগ  পূর্ব  হতেই খুচরো সংকট শুরু। বাঙালি লক্ষীর ভাড় এ যে খুচরো প্রতিদিন একটু একটু করে জমেছে তার থেকেই আজকের এই সমস্যার সূত্রপাত। লক্ষীর ভাড়ে খুচরো পয়সা জমার ফলে বাজারে খুচরো পরিচলন বেহাত  শুরু  হয়েছে  বহু দিন আগেই, যার ফলে আজ এই  সংকটের মখোমুখি এ রাজ্যের মানুষ।           প্রত্যেক দিন একজন সঞ্চয়ী বাঙালি ১ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় করে তার লক্ষীর বাড়ে। এর ফলে প্রতিদিন যে পরিমান খুচর টাকা বাজারে পরিচলন হওয়ার প্রয়োজন তা কমে যাচ্ছে। আর ঠিক এই কারণেই বাজারে খুচর সংকট দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেছে RBI ।  এখন প্রশ্ন হছে খুচরো সংকটের কারণ যদি এই হয়  তবে তা বহু দিন পূর্বেই শুরু হওয়া উচিত ছিল , কিন্তু সেরকম টা   হলো না কেন ?—- এর উত্তরে  RBI জানিয়েছে  ‘ বহুদিন হতে সঞ্চয়ের ফলে বাজারের সিংহভাগ খুচরো পয়সা এখন লক্ষীর ভাড় বন্দী , তাই বর্তমানে এই প্রবল খুচর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া জনসংখা বৃদ্ধিকেও দায়ী করা হয়েছে এই রিপোর্টই। RBI এর সমাধান এর জন্য কিছু উপদেশ দিযেছে তাদের রিপোর্টএ। বলাহয়েছে ‘ একটি বাড়িতে কেবল মাত্র একটি লক্ষীর ভাড় রাখা যাবে। যাদের লক্ষীর ভাড় ১০ বা তার বেশি বছর পুরনো  ভাড় ভেঙে সাধের জিনিস কিনে টাকা  বাজারে ফিরিয়ে দিতে হবে। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী যদি প্রত্যেক ব্যক্তি একসঙ্গে ভাড় ভেঙে  তবে বাজারে চাহিদার তুলনায় খুচরো টাকা বেশি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে  বিপরীত ধর্মী  অর্থনৈতিক ক্ষতি  হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই রিপোর্টএ। এখন দেখার যে প্রাচীন এই অভ্যাস বাঙালি  বদলে ফেলবে  কিনা । এই বিষয়ে ইতিমধ্যে বহু গণসমীক্ষা  , সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এ ভোট গ্রহণ  শুরু হয়েছে। যদিও এই রিপোর্ট শুনে অর্থনীতিবিদ রা কি বলছে তা চাপা পরেছে আমাদমির হাসিতে। 

About the author:
Has 214 Articles

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

RELATED ARTICLES

Back to Top