Tinpahar
No Comments 10 Views

সংরক্ষণ প্রসঙ্গে আরো কিছু কথা…

সাম্প্রতিক কালে বিশ্বভারতীতে অভ্যন্তরীণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে সংরক্ষণ ব্যবস্থা তুলে দেওয়া নিয়ে যে “হিউ এন্ড ক্রাই ” সৃষ্টি হয়েছে সেই প্রসঙ্গে কিছু চিন্তা লিখে ফেলার প্রয়োজন মনে করলাম।

সমগ্র বিষয়টা লক্ষ্য করলে প্রথমেই যে কথাটা মাথায় আসে তা হলো সমস্যার মূলে না পৌছে, সাময়িক সমাধান সূত্রের খোঁজে বেশী জোর দেওয়ার মত ঘটনা। অভ্যন্তরীণ ছাত্র-ছাত্রীদের সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকা- না থাকা নিয়ে বিতর্ক, নতুন কোনো বিষয় নয়। এই সমস্যা আগেও দেখা দিয়েছিল। হয়তো তা এত বড় আকার নেয়নি (কতটা কৃতিত্ব ‘হোক কলরব’ কে দেওয়া উচিত জানি না।)

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে তখনও এবং এখনও সমস্যা কে গোড়া থেকে নির্মূল করার কথা খুব একটা আলোচনা করা হয়নি এবং হচ্ছেও না।

যে কথা টা আগেও কেউ সরাসরি স্বীকার করেনি ,আর এখনতো করার প্রশ্নই ওঠে না সেটা হলো ভয়। এই ভয়টা পাঠভবনের ছাত্র হিসাবে একদিন আমিও পেয়েছিলাম। সেই ভয়টাই এখনও পাঠভবন -শিক্ষাসত্রের ছাত্র-ছাত্রী তথা অভিভাবক-অভিভাবিকাদের মধ্যে কাজ করছে।

কাজেই বর্তমানে বিশ্বভারতীতে সংরক্ষণ বিষয়ে যে কর্মকান্ড চলছে তা পুঞ্জীভূত ক্ষোভের নয় পুঞ্জীভূত ভয়েরই বহিঃপ্রকাশ।

ভয় টা কীসের? খুব সহজ ভাবে বলতে গেলে বেশী সংখ্যক (তথাকথিত বহিরাগত ) ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে নিজেদের যোগ্যতা প্রমান করে আসন নিশ্চিত করতে না পারার আশঙ্কার ভয়।

এখন প্রশ্ন হলো কেন এই ভয়? আমার মতে যাবতীয় সমস্যার মূলে এই ভয়,আর ভয়টার কারণের মধ্যেই  লুকিয়া আছে প্রকৃত সমাধান সূত্র।

পাঠভবনের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে কীসের থেকে এই ভয়ের উৎপত্তি, তার ধারণা আমার যথেষ্ট আছে। আগেই বলেছি ভয়টার সাথে পরিচয় আছে।

পরীক্ষা  দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এলে পাশ করার জন্যে বা অনেক বেশী  সংখ্যক ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে যোগ্যতা প্রমাণের প্রয়োজন হলে, যে মানসিকতা গড়ে ওঠা প্রয়োজন তা গড়ে ওঠেনি। কাজেই প্রশ্ন ওঠে শিক্ষার গুণমান নিয়ে। আর এই বিষয়টা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনার পথে জমা আছে রাশি রাশি দ্বিধা-দ্বন্দ। যেহেতু এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে একদিন আমাকেও যেতে হয়েছে তাই আজ বলতে পারছি যে এখন বোধহয় সময় এসেছে মূল সমস্যার সমাধানের বিষয়ে কথা বলার।

শিক্ষার মানকে সেই স্তরে উন্নীত  করতে হবে যাতে , পাঠভবনের পরবর্তী প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীরা সংরক্ষণের ভরসায় বুক না বেঁধে নিজেদের যোগ্যতার উপর ভরসা করতে পারে।

একথা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে বর্তমানে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নিজেদের সেই ভাবে তৈরী করে তুলতে খুব বেশী দিন বাকি নেই তারা যথেষ্ট অসহায় ,কিন্তু একই সাথে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে বর্তমান পরিস্থিতিতে যে কোনো একটা যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে সংরক্ষণ প্রথা পুনর্বহাল করলে সেই সিধান্ত আখেরে পাঠভবনের ছাত্র-ছাত্রীদের বৃহত্তর সার্থের পরিপন্থী হয়ে উঠবে। কারণ সংরক্ষণ ব্যবস্থা ডিগ্রী দেওয়ার ক্ষেত্রে যতোটা  পারদর্শী, গুণমান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ততোটা বোধহয় নয়। রাতারাতি সংরক্ষণ উঠে গেলে কিছু ছাত্র ছাত্রী সমস্যায় পড়বে, তা দুঃখজনক , কিন্তু সংরক্ষণকে চিরস্থায়ী করলে, ফল হবে আরো দুঃখজনক। কারণ গুণমানের উন্নতি ঘটিয়ে এখনো যে সকল ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যত সুরক্ষিত করা যেতে পারে, সংরক্ষণের ভেলায় ভেসে তারা তো বটেই, এখনো আনন্দ পাঠশালাতে ভর্তির বয়স, এমন কচি-কাঁচাদেরকেও একদিন এই ভয়টা গ্রাস করবে।

একথা সত্য যে বিশ্বভারতী বা পাঠভবন আর পাঁচটা সাধারণ স্কুল-কলেজের থেকে অনেকাংশে আলাদা,কিন্তু প্রশ্নটা যখন গুণমানের তখন এই ধরনের যুক্তি কি খুব কার্যকরী?

বক্তব্য এখানেই শেষ করা যেত কিন্তু সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা এবং কানে আসা কিছু যুক্তি বড় চিন্তায় ফেলেছে।

সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে টানাপোড়েন শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার কথা শুনলাম ,ও দেখলাম যা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয়। বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় দপ্তরের দেওয়ালে কালী দিয়ে আঁকাই হোক বা উপাচার্য মহাশয়ের কুশপুতুল দাহ করার ঘটনা। এগুলো কি বিশ্বভারতীকে ” আর পাঁচটা ” প্রতিষ্ঠানের সাথে এক করে দেয়  না ? অনেককেই বলতে শুনেছি , ” সেন্ট্রাল অফিসে নতুন রং করা হয়েছে, ঐ দেওয়ালে  আঁকা উচিত হয়নি ” – আচ্ছা এর মানে টা কি? রং পুরনো হয়ে গেলে যা খুশি তাই আঁকা যায় ?

এবার আসি সংরক্ষণ পন্থীদের কয়েকটি শক্তিশেল (যুক্তির) এর প্রসঙ্গে ।

সোস্যাল মিডিয়ায় এখনো পর্যন্ত ৬৭ টি লাইক পাওয়া একটা পোস্ট চোখে পড়ে গেলো । (লাইক বেড়ে যাওয়া আশ্চর্য কিছু না)

যেখানে পোস্টটি যিনি করেছেন (সম্ভবত আমার খুব চেনা কোনো বন্ধু) তিনি বলেছেন যে স্নাতক স্তরে ১৫০০ জন ছাত্র- ছাত্রী কম বেশী ভর্তির সুযোগ পায় , আর অভ্যন্তরীণ ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা খুব বেশী  হলেও ৩০০ ছাড়াই না। কাজেই ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু থাকলেও আদতে ৫০ শতাংশ আসন অভ্যন্তরীণ ছাত্র-ছাত্রীরা দখল করে না। যুক্তিটা শুনতে ভালো ,তাতে সন্দেহ নেই ,কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিকে খুব সচেতন ভাবে আড়াল করা হয়েছে এখানে।

স্নাতক স্তরের এই ১৫০০ টি আসন কিন্তু বিভিন্ন বিষয়ে ভাগ করা। অর্থাৎ কোনো বছর যদি ১২০০ জন ছাত্র মনে করে যে কম্পিউটার সায়েন্স পড়বে , সেক্ষেত্রে কিন্তু ১৫০০ টি আসনের থেকে ১২০০ ঐ নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্যে দিয়ে দেওয়া হবে না। কম্পিউটার সায়েন্স ,রসায়ন ,অঙ্ক ,নাচ,গান সকল বিষয়ে ঐ ১৫০০ আসন ভাগাভাগি করা আছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিষয়ে আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট। আর প্রকৃত ঘটনা হলো তামিল ভাষা পড়তে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীর সংখা কখনই ইংলিশ পড়তে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যার সাথে পাল্লা দিতে পারে না, আবার রসায়ন আর ইন্দো-তিব্বতীর ক্ষেত্রেও বিষয়টা এক। কাজেই যেই বিষয়গুলি পড়তে ছাত্র ছাত্রীরা বেশী আগ্রহী সেখানে কিন্তু সংরক্ষণ প্রথা নিজের উপস্থিতি জানান দেয়। রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, অঙ্ক ,ইংলিশ ,ভূগোল এর মত বিষয়গুলিতে কিন্তু অভ্যন্তরীণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে সংরক্ষিত আসন গুলি খালি থাকে না। আবার তামিল বা ইন্দো-তিব্বতীর  মত বিষয় গুলিতে এই সংরক্ষিত আসন গুলি খালি থেকে যায়। কাজেই তথাকথিত বহিরাগত ছাত্রদের জন্যে চাহিদা বেশী, এমন বিষয় গুলির ক্ষেত্রে মাত্র ৫০ শতাংশ আসনে ভর্তি সুযোগ থাকে।

আমি নিশ্চিত যে ইংলিশ পড়তে আগ্রহী কোনো অভ্যন্তরীণ ছাত্রকে যদি বলা হয় যে সংরক্ষণের সুবিধা ব্যবহার করে অর্থাৎ একজন অভ্যন্তরীণ ছাত্র হিসাবে তুমি তামিল পড়ার  সুযোগ পেতে পার , ইংলিশ পড়তে হলে যোগ্যতার পরীক্ষা  দিতে হবে। সেই ছাত্রটি যোগ্যতা প্রমাণের পরীক্ষাকেই বেছে নেবে। কাজেই বিষয়টা অভ্যন্তরীণ ছাত্র হিসাবে সুযোগ পাওয়ার নয় বিষয়টা পছন্দের বিষয় পড়ার সুযোগ পাওয়ার। সেক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ থাকা কি বাঞ্চনীয় নয় ?

আবার সেই সাড়া  জাগানো পোস্টটির কথায় ফেরা যাক(এখন লাইক আরো বেড়ে গিয়ে থাকবে)। ওখানে আরো একটি যুক্তি চোখে পড়ল ,যে দুই-তিন দফায় ছাত্র ভর্তি করেও নাকি সমস্ত আসন ভর্তি হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন নাকি আদতে বলেছে যে সব আসন ভর্তি না হলে টাকা দেওয়া হবে না। ফলে মাইনে হবে না।

এই তত্ত্ব কি বিশ্বাসযোগ্য ? প্রথমত সংরক্ষণ তুলে দিলে তো যে ২৮০ বা ৩০০ জন অভ্যন্তরীণ ছাত্র নিশ্চিত ভাবে বিশ্বভারতীতেই ভর্তি হত তাদেরকেও হারানো। কাজেই যদি ছাত্র ভর্তিই উদ্দেশ্য হয় তাহলে ভর্তি হওয়ার জন্যে অন্দোলন করতে রাজি এমন ছাত্র-ছাত্রীদের ফেরানো হবে কেন? দ্বিতীয়ত ছাত্র ভর্তি হলো কি হলো না, তার উপর কি একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক -কর্মীদের মাইনে সত্যিই নির্ভর করে ?

সংরক্ষণ প্রথা বহাল রাখার পক্ষে আরো একটি অদ্ভুত যুক্তি কানে এলো। বিশ্বভারতীতে নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি ( ইংলিশ এ বোধহয় গ্রেডেশন না মার্কিং সিস্টেম বলে। সঠিক জানি না) এমনই যে তার ফলে স্নাতক স্তরে বিশ্বভারতীর বাইরে কথাও ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ফলে বিশ্বভারতীর অভ্যন্তরীণ ছাত্র- ছাত্রীদের বিশ্বভারতীতেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে দেওয়া অতি আবশ্যক। এই প্রসঙ্গে দুটি কথা বলার আছে। প্রথমত, এই যুক্তি মেনে যদি সংরক্ষণ প্রথা চলতে থাকে তাহলে আদতে বিশ্বভারতীর বেশ কিছু ছাত্র ছাত্রী যারা অন্যত্র পড়তে যেতে চাই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে (আগেও হয়েছে।)আবার বিশ্বভারতীতে পড়ানো হয় না এমন কোনো বিষয় পড়ার  কথা অভ্যন্তরীণ ছাত্র ছাত্রীরা ভাবতেই পারবে না কারণ নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি তাদের অন্য কোথাও ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়াবে। দ্বিতীয়ত, নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি যদি গোলমেলে হয়ে থাকে তাহলে সেই পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্যে জনমত গড়ে তোলা উচিত। নম্বর দেওয়ার পদ্ধতির ফাঁক গুলি বোধহয় সংরক্ষণ দিয়ে ভরানো সম্ভব নয়। তাতে বৃহত্তর স্বার্থ অবহেলিত হতে বাধ্য।

এছাড়াও এমন কিছু কথা শোনা যাচ্ছে যার সাথে সংরক্ষণ থাকা না থাকার কোনো সম্পর্কই  নেই। সংরক্ষণ তুলে দিলে বিশ্বভারতী নিছক পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হবে এই কথা যেমন হাস্যকর তেমনি বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে দেরী হওয়ার ঘটনার সাথে সংরক্ষণের কি সম্পর্ক তা বুঝে ওঠা সত্যিই কস্টসাধ্য ব্যাপার। এত কথা বলার উদ্দেশ্য এই যে কোনো বিষয় এর পক্ষে বিপক্ষে মতামত থাকবে সেটা স্বাভাবিক কিন্তু তাই বলে ভুল বুঝিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা উচিত নয়।

লেখার শেষ লগ্নে এসে যেটা না বললেই নয় তা হলো এই সংরক্ষণ থাকা- না থাকা নিয়ে যে আলোচনা গুলি শোনা যাচ্ছে তাতে যে জিনিষটা স্বাধারণ তা হলো গুরুদেবের উক্তি বা ওনার লেখা গান বা কবিতার অংশ বিশেষের উদ্ধৃতি এবং তার পছন্দ মতো ব্যাখা। তা আমিই বা পিছিয়ে থাকি কেন? আর উদ্ধৃতির ব্যবহার যখন করতেই হবে তখন গীতাঞ্জলি থেকে করাই ভালো।

” বিপদে মোরে রক্ষা করো

এ নহে মোর প্রার্থনা ,

বিপদে আমি না যেন করি ভয়। ”

আমার বিশ্বাস যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী সংরক্ষণ ব্যবস্থা উঠে যাওয়ায় বিপদের আশংকা করছে, তারা এই উদ্ধৃতি স্মরণ করে মনে যথেষ্ট বলের সঞ্চার ঘটাতে সক্ষম হবে। “সংরক্ষণ  না থাকলে উচ্চ শিক্ষা সম্ভব নয়” এহেন কথা ভেবে বিক্ষোভে সামিল না হয়ে ” চেষ্টা করলে না পড়ার কিছু নেই ” জাতীয় কথা ভেবে এগিয়া যাবে।

পরিশেষে পাঠভবনের প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে একথাই বলব যে আমরা যেটা পারিনি, সেটা তোমরা করে দেখাও। আমাদের সময় মূল সমস্যা থেকে সরে এসে সাময়িক সমাধান বহুবার বহু বিষয়ে খোঁজা হয়েছে। আমরা বিভ্রান্তির স্বীকার হয়েছি। অনেক বিষয়েই হয়তো নিজেরা ঠান্ডা মাথায় না ভেবেই সিধান্ত নিয়েছি। তার ফল আমরা এখনো ভুগছি।

পাঠভবনকে আমরা সকলে ভীষণ ভালবাসি। পাঠভবন থেকে আমরা অনেক কিছু পেয়েছি। তাই পাঠভবনের তথা পাঠভবনের ছাত্র-ছাত্রীদের বৃহত্তর স্বার্থের কথা আমাদের সকলের ভাবা উচিত।

আমার বিশ্বাস তোমাদের উচ্চ শিক্ষার জন্যে কর্তিপক্ষের করুনার প্রয়োজন হবে না। তোমরা নিশ্চয়ই বাঁধ ভাঙ্গতে সক্ষম হবে। সংরক্ষণের আশায় বসে না থেকে যে কোনো পরিস্থিতির সন্মুখীন হয়ে লড়াই করে তোমরা অবশ্যই বাঁধ ভাঙ্গবে।
Read More athttp://www.tinpahar.com/height-india/484

About the author:
Has 214 Articles

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

RELATED ARTICLES

Back to Top